Loading...

'দুর্গাপুজোয় প্রথম প্রেমে পড়েছিলাম, তখন প্রেমিকার মানে অন্য ছিল'- আশ্বিনে নস্টালজিক রণজয় বিষ্ণু 

ছোটবেলাটা মফস্বলে মামাবাড়িতে কেটেছে রণজয় বিষ্ণুর। কলকাতার পুজোর স্বাদ পেয়েছেন বড় হয়ে। বড় হয়ে ওঠার সঙ্গে পাল্টেছে পুজোর আবেগ। এক সময় মামার হাত ধরে কয়েক ঠাকুর দেখাই ছিল তৃপ্তির। এখন পুজোয় একটু একান্ত সময় কাটাতেই বেশি পছন্দ করেন অভিনেতা। 

ADVERTISEMENT

আরও পড়ুন

কিছুদিন আগে পর্যন্ত তুমুল ব্যস্ততার মধ্যে দিন কেটেছে রণজয়ের। জি বাংলার ধারাবাহিক 'কোন গোপনে মন ভেসেছে'তে অনিকেতের চরিত্রে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। ধারাবাহিক শেষ হতেই এখন একটু ফাঁকা সময় পেয়েছেন অভিনেতা। যদিও চলছে সিরিজ ও আগামী ছবির কাজ। তবুও পুজোর ক'টা দিন নিজেকে সময় দেবেন বলে ঠিক করেছেন তিনি। 

আজকাল ডট ইন-কে রণজয় বলেন, "একটানা এতদিন ছুটি পাওয়া তো মুশকিল আমাদের প্রফেশনে। তাই ঠিক করেছি একটু বেড়াতে যাব। হয়তো কোনও গ্রামে যাব, কয়েকটা দিন থাকব। যাঁরা সোলো ট্রিপে যান তাঁরা জানেন, গ্রামে কয়েকটা দিন কাটালে সেখানকার মানুষ কতটা আপন করে নিতে পারেন। যদিও পুজোয় কয়েকজন বন্ধুর বাড়িতেও যাওয়ার কথা আছে। একটু গল্প-আড্ডায় সময় কাটানো আর কী।"

রণজয়ের কথায়, "পুজোর এই পাঁচটা দিন আমার কাছে খুব স্পেশাল। অষ্টমীর অঞ্জলীর পর লুচি আর ছোলার ডালটা চাই-ই চাই। ওটা না পেলে শরীর খারাপ লাগে। সারা বছর ডায়েট করি, যাতে স্পেশাল দিনগুলোতে ভাল করে খেতে পারি। আর পুজোর ফ্যাশন বলতে আমার কাছে ধুতি আর পাঞ্জাবির থেকে বেস্ট কিছু নেই।"


তিনি বলেন, "একটু খেয়াল করলে দেখবেন, সব পুরনো দিনের ফ্যাশন কিন্তু আবারও ফিরে আসছে। পাটিয়ালা প্যান্ট থেকে শুরু করে ধুতির স্টাইল, সবটাই তো এখন ফ্যাশনে ইন। আমিও বরাবরের মতো সাবেকি পোশাক বেছে নেব।"


রণজয় বলেন, "আমার একটা জিনিস মনে হয়, পুজোর গন্ধের সঙ্গে একটা মারাত্মক প্রেম প্রেম ভাব জরিয়ে থাকে। এখন তো সবটাই অনেক স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছে। আমাদের বেড়ে ওঠার সময় পুজোর প্যান্ডেলে দুটো আলাদা গ্রুপ বসে আড্ডা মারত। একদল ছেলে ও আরেকদল মেয়ে। সেই সময় যদি কোনও মেয়ের সঙ্গে কারওর কয়েকবার চোখাচোখি হয়ে যায়, ব্যস! সে সেদিনের জন্য রাজা। এরপর কথা এগোলে, নম্বর পেয়ে গেলে তো সে ম্যান অফ দ্য সিরিজ। আমারও প্রথম প্রেম পুজোর সময় হয়েছিল। ঠিক পুজোর সময় বললে একটু ভুল হবে, পুজোর শেষের দিকে প্রেমে পড়েছিলাম। সেই প্রেম টিকেছিল অনেকদিন।"

ADVERTISEMENT