আজকাল ওয়েবডেস্ক: শান্তিপুর মানে যেমন তাঁতের শাড়ির ঐতিহ্য, তেমনি এর আরেকটি অর্থ হল রাস উৎসবের রঙিন রূপ। কিন্তু এই শহরের গলিপথে লুকিয়ে আছে এমন কিছু পুজো, যা কেবল আচার বা আনুষ্ঠানিকতা নয়। রয়েছে ইতিহাস, সেইসঙ্গে রয়েছে বিশ্বাস। এক নিজস্ব পথে দেবীর আরাধনা। এরকমই একটি পুজো হল বড় গোস্বামী বাড়ির কাত্যায়নী পুজো।
জনশ্রুতি অনুযায়ী এটা হল প্রায় ৩৫০ বছর আগের কথা। পরিবারের কুলদেবতা শ্রী শ্রী রাধারমন জিউ হঠাৎ অন্তর্ধান হয়ে যান মন্দির থেকে। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও যখন কোনো সন্ধান মেলে না, তখনই পরিবারের নারীরা উপায়ান্তর না পেয়ে শুরু করেন কাত্যায়নী ব্রত। পুরাণ অনুযায়ী, গোপিনীরা কৃষ্ণকে পাওয়ার আশায় কাত্যায়নী ব্রত করতেন। সেই কথা স্মরণ করেই কাত্যায়নীর আশ্রয় নেন গোস্বামী পরিবার। এর তিনদিন পর, স্বপ্নাদেশ পান এখান থেকে কিছুটা দূরে দিকনগরের একটি দিঘির নিচে অবস্থান করছেন তাঁদের গৃহ দেবতা। দ্রুত সেখান থেকে তাঁকে উদ্ধার করে আবার পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হয়। আর সেই বছর থেকেই এই পরিবারে শুরু হয় কাত্যায়নী পুজো।