আজকাল ওয়েবডেস্ক: পুজোর আগেই কি ফের প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ মুখগুলির আনাগোনা বাড়বে রাইটার্স বিল্ডিংয়ে? সেই লক্ষ্যেই এগোচ্ছে পূর্ত দপ্তর। আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে রাইটার্স বিল্ডিংয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী-সহ মন্ত্রীদের ঘর তৈরির কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সচিবালয়ের কাজ শেষ হয়েছে। এবার তিনতলায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী-সহ অন্তত ছয়জন মন্ত্রীর বসার ব্যবস্থা তৈরির কাজ চলছে।
নবান্ন অতীত, পুজোর আগেই রাইটার্স বিল্ডিংয়ে 'ফিরছে' নতুন সরকার! মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর ঘর তৈরি, সঙ্গে আরও কোন কোন ৫ মন্ত্রী তালিকায়?
ADVERTISEMENT
পূর্ত দপ্তর সূত্রে খবর, মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল, পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ, পর্যটনমন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ, স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় এবং পূর্তমন্ত্রী অজয় পোদ্দারের জন্য ঘর প্রস্তুত করা হচ্ছে। পাশাপাশি মুখ্যসচিব এবং রাজ্য পুলিশের ডিজি-সহ প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদাধিকারীদের জন্যও রাইটার্সে ঘর তৈরির কাজ চলছে।
আরও পড়ুন
তবে রাইটার্সের সংস্কারের সব কাজ একসঙ্গে শেষ হচ্ছে না। পূর্ত দপ্তরের হাতে থাকা অসম্পূর্ণ কাজগুলি ১০ অক্টোবরের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য থাকলেও এখনই ক্যাবিনেট রুম এবং রোটান্ডার সংস্কারের কাজ শুরু হচ্ছে না। ফলে পুরো মহাকরণকে প্রশাসনিক ব্যবহারের উপযোগী করে তুলতে এখনও বেশ কিছু কাজ বাকি থাকছে।
রাইটার্স বিল্ডিংয়ের সামগ্রিক সংস্কারের দায়িত্ব ভবিষ্যতে আদানি গোষ্ঠীর হাতে দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। এ বিষয়ে রাজ্যের সঙ্গে আদানি গোষ্ঠীর আলোচনার ভিত্তিতেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই সংস্কারের কাজের জন্য প্রাক্তন হেরিটেজ কমিশন সদস্য ও স্থপতি রঞ্জন মিত্রকে দায়িত্ব দিয়েছে আদানি গোষ্ঠী। তিনি রাইটার্স বিল্ডিং পরিদর্শনও করেছেন।
রাইটার্সের সংস্কারে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে ঐতিহ্য রক্ষা। পূর্ত দপ্তরের দাবি, আগের দফার সংস্কারে ইউরোপীয় টালি-সহ একাধিক ঐতিহাসিক উপাদান নষ্ট হয়েছে বা হারিয়ে গিয়েছে। ফলে এবার ঐতিহাসিক কাঠামো এবং স্থাপত্যের বৈশিষ্ট্য অক্ষুণ্ণ রেখে সংস্কার করাই বড় চ্যালেঞ্জ।
২০১৩ সালে রাজ্যের সচিবালয় নবান্নে চলে যাওয়ার পর থেকেই রাইটার্সের সংস্কারের কাজ চললেও দীর্ঘ ১৩ বছরেও মোট কাজের ৫০ শতাংশ শেষ হয়নি বলে পূর্ত দপ্তর সূত্রে দাবি। নতুন করে মন্ত্রী ও প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের বসার জায়গা তৈরির কাজ শেষ করার উদ্যোগ সেই দীর্ঘসূত্রতার মধ্যেই নতুন গতি পাওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
ADVERTISEMENT
ADVERTISEMENT
সবাই যা পড়ছেন
ADVERTISEMENT