সারা বছর ডায়েট করি! পুজোয় ভোগের খিচুড়ি চাই-ই চাই: রিচা শর্মা
সারা বছর কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকেন রিচা শর্মা। দম ফেলার ফুরসত নেই। তবে পুজোর চারটে দিন সাজগোজ, অবসর আর খাওয়াদাওয়া নিয়েই থাকতে ভালবাসেন মডেল তথা অভিনেত্রী। পুজোর আগে থেকেই তাই শুরু প্রস্তুতি
রিচা সেজে উঠেছেন কটনের চিকনকারি কুর্তিতে। তার সঙ্গে মানানসই হালকা মেকআপ। স্লিক বাঁধা চুল। গলায় সবুজ স্টোন স্টাডেড চোকার নেকলেস। কানে দুল। হাতে সবুজ চুড়ি।
ADVERTISEMENT
সাদা এবং সবুজের মেলবন্ধন চোখকে আরাম দেয়। পুজোয় নানা রঙের সমাগমে এই কম্বিনেশন কিছুটা আলাদা। সুন্দরও বটে। রিচার কথায়, “আমি মনে করি ফ্যাশন সেটাতেই হবে, যেটায় আমি সবচেয়ে বেশি স্বচ্ছন্দ বোধ করব। পুজোয় আমি একেবারেই ওয়েস্টার্ন পরি না। শাড়ি এবং সালোয়ার কামিজ বেছে নিই। তবে সেগুলি যাতে খুব জমকালো না হয়, সে দিকটাও খেয়াল রাখি। হালকা পোশাকে আরামও বেশি। ফ্যাশনও হয়।”
পুজোয় অন্যান্য তারকাদের মতো রিচাও বিচারক হিসাবে থাকেন মণ্ডপ পরিক্রমায়। আবার মেয়েকে নিয়েও চলে মণ্ডপে-মণ্ডপরে টহলদারি। সারাটা বছর কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও উৎসবের দিনগুলি কাছের মানুষদের সান্নিধ্যে কাটান রিচা। মেতে থাকেন হইহুল্লোড়, আড্ডায়।
ADVERTISEMENT
পেশার খাতিরে সারা বছর ডায়েট করেন রিচা। তবে পুজোর কয়েকটা দিন জমিয়ে চলে পেটপুজো। নবরাত্রির সময় নিরামিষ খেলেও রসনাতৃপ্তিতে পড়ে না ভাটা। রিচার কথায়, “আমার ঠাকুরের ভোগের খিচুড়ি খেতে ভীষণ ভাল লাগে। পুজোয় ওটা চাই-ই চাই। এছাড়া সারা বছর জাঙ্ক না খেলেও এই সময়টা মন ভরে পিৎজা খেয়ে নিই। নবরাত্রিতে নিরামিষ খাই বলে এমনিতেও মোটামুটি স্বাস্থ্যকর খাবারই পেয়ে যাই। আমার বন্ধুকা আমায় রাগায়। বলে, জাঙ্ক খাবার নাম করেও সেই হেলদি ডায়েটেই থাকছি।” তবে আর যা-ই হোক, পুজোয় সকলের সঙ্গে আনন্দ করার চেয়ে মূল্যবান আর কিছু হয় না।
শাড়ির প্রতি রিচার ভালবাসা নতুন নয়। দুর্গাপুজোর দিনগুলিতে তা যেন দ্বিগুণ। লাল পাড় সাদা শাড়িতে তাই নিজেকে সাজিয়ে তুলেছেন অভিনেত্রী। কপালে লাল টিপ। গলায় দেবী দুর্গার মুখ দেওয়া সুন্দর হার। হাতে একগোছা চুড়ি। তাক লাগিয়েছেন একেবারে আটপৌড়ে সাজে।
ADVERTISEMENT
তবে ভারী ফ্যাব্রিক নয়। সুতি, লিনেন, শিফনের মতো হালকা ফ্যাব্রিকের শাড়িই উৎসবের সময় রিচার পছন্দ। কারণ আনন্দের সঙ্গে প্রয়োজন আরামও।
সাজ নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা চালাতে আগাগোড়াই ভালবাসেন রিচা। পুজোর চারটে দিন যদিও সাবেকি সাজই বেশি টানে তাঁকে। অষ্টমীতে অঞ্জলি দেওয়া থেকে ঘরোয়া আড্ডা, ঠাকুর দেখা, ইতিমধ্যেই সব দিনের জন্যই বিশেষ লুকের পরিকল্পনা তাঁর সারা।
ADVERTISEMENT
সবাই যা পড়ছেন
ADVERTISEMENT